রাঁচিতে ৯ অক্টোবর সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ভারতের দেওয়া ২৫০ রানের লক্ষ্য পার করে জয় পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৬ উইকেট এবং ৯ বল হাতে রেখেই ম্যাচটি জিতে নেয় সফরকারীরা। ম্যাচের শুরুতেই প্রথম ওভারে ভারত জোড়া উইকেট তুলে নেয় এবং ষষ্ঠ ওভার শেষ হওয়ার আগেই ক্যারিবীয়দের রান হয়ে যায় ৩ উইকেটে ৫৮। তবে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা শাই হোপের ৪৫ বলে অপরাজিত ১০২ রান ও শেরফেন রাদারফোর্ডের ৩৭ বলে ৮৪ রানের ইনিংসে ভর করে জয় নিশ্চিত করে তারা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটিই ওয়েস্ট ইন্ডিজের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড। এর ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে এখন ১-১ সমতা এসেছে।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বড় পুঁজি পায় স্বাগতিক ভারত। সাঞ্জু স্যামসন ৪১ বলে ৮২, তিলক ভার্মা ১৮ বলে ৪৪, ইশান কিশান ২২ বলে ৪১ এবং অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ১৮ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলেন। ছোট মাঠ, শিশির এবং ব্যাটিংয়ের জন্য পুরোপুরি সহায়ক পিচের কারণে দুই দল মিলিয়ে ৩৮.৩ ওভারে মোট ৫০১ রান তোলে এবং ম্যাচে মোট ৩৩টি ছক্কা হয়।

ব্যাটারদের এমন আধিপত্যের মাঝে দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো ব্যাট ও বলের ভারসাম্যের আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। এর আগে গুয়াহাটিতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৩৯ বল বাকি থাকতে ভারতের ৪০৬ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে যাওয়ার পরও একই ধরনের মত প্রকাশ করেছিলেন তিনি। রাঁচির ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বোলারদের পিচ থেকে কোনো সহায়তা না পাওয়ার বিষয়ে গম্ভীর বলেন, “আপনারা কি ব্যাট ও বলের মধ্যে ভালো লড়াই দেখতে চান না? আপনারা যা দেখতে চান, আমরাও তা-ই দেখতে চাই। আমরাও সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই দেখতে চাই।”

বোলারদের নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়ে ভারতীয় কোচ আরও বলেন, “এই বোলাররা আমাদের বোলার, অন্য কারও নয়। তাদের ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে। এই ড্রেসিংরুমে জায়গা করে নিতে তারা কঠোর পরিশ্রম করেছেন। ব্যাট ও বলের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ লড়াই হলে আমরা আরও ভালো ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে পাব।”